বাঁশ দিবসে শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর, ইন্ডাস্ট্রি পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল
বিশ্ব বাঁশ দিবস উপলক্ষে শিল্পের সম্ভাবনার আশা ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুথা ইন্ডাস্ট্রিতে বাঁশ শিল্প সম্পর্কে অবগত হয়েছেন রাজ্যপাল।

দ্যা ফ্যাক্ট: গোটা ভারতবর্ষে বাঁশ ভিত্তিক শিল্পে ত্রিপুরা একটি নির্দিষ্ট স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে গড়ে উঠছে বাঁশ ভিত্তিক কারখানা। বুধবার বিশ্ব বাঁশ দিবস উপলক্ষে রাজ্যে বাঁশ ভিত্তিক শিল্প বৃদ্ধির আশা ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে আর কে নগরে বাঁশ ভিত্তিক কারখানা পরিদর্শন করলেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু।
ত্রিপুরার বাঁশ ভিত্তিক কুটির শিল্প দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশেও প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত গড়ে উঠেছে ত্রিপুরার অত্যন্ত উর্বর এই বাঁশ শিল্প। বর্তমানে এই শিল্প ইন্ডাস্ট্রির রূপ নিতে শুরু করেছে। ত্রিপুরা থেকে বহু বাঁশ শিল্পীরা বহিঃরাজ্যে গিয়ে বাঁশ ভিত্তিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করছেন।
বুধবার বিশ্ব বাঁশ দিবস উপলক্ষে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা বলেন, ত্রিপুরাতে ২১ প্রজাতির বাঁশ পাওয়া যায়। ত্রিপুরার বাঁশ শিল্পকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিকে রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু আর কে নগরে মুথা ইন্ডাস্ট্রি পরিদর্শন করেন। এখানে দীর্ঘদিন যাবত বাঁশ ভিত্তিক বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ত্রিপুরাতে তৈরি বাঁশের টাইলস ভারতের পার্লামেন্টের নবনির্মিত ভবনে ব্যবহার করা হয়েছে।
গত বছর গোটা ভারতবর্ষে ৭৭৫টি পর্যটন কেন্দ্রকে পেছনে ফেলে ২০২৩ সালে বেস্ট ভিলেজ ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছে ত্রিপুরার কাতলামারায় গড়ে ওঠা বাঁশগ্রাম, যা ত্রিপুরার বাঁশ শিল্পের জন্য অত্যন্ত গর্বের এক সাফল্য। এই বাঁশগ্রাম গড়ে উঠেছে দীর্ঘদিন বাঁশ শিল্পের সাথে জড়িত মান্না রায়ের হাত ধরে। তবে আগামী দিনে ত্রিপুরাতে বাঁশ শিল্পকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের বাণিজ্যিক পরিকল্পনা একেবারেই বাস্তবসম্মত বলে ধারণা করা হচ্ছে বর্তমান বাঁশ শিল্পের প্রেক্ষাপট থেকে।
What's Your Reaction?






