ধর্ষিতার বাড়িতে অভিযুক্তদের আক্রমণ, আগ বাড়িয়ে মীমাংসার নামে ২৪ ঘন্টায় দুই বক্তব্য মোথা নেতৃত্বের
ধর্ষিতার বাড়িতে অভিযুক্তদের আক্রমণের ঘটনা মীমাংসা করার চেষ্টায়, মোথা নেতৃত্বদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ স্থানীয়দের

দ্যা ফ্যাক্ট :-সিমনার চাইলতা বাড়ি গ্রামে ধর্ষিতার বাড়িতে মামলা প্রত্যাহার করার দাবিতে অভিযুক্তের আক্রমণের ঘটনায় দুই দিনে দুই বক্তব্য দিলেন তিপ্রামোথা দলের নেতৃত্বরা। অত্যন্ত স্পর্শকাতর এই বিষয়ে আগ বাড়িয়ে মীমাংসা করতে গিয়ে লেজে গোবরে টিডব্লিউএফের সম্পাদিকা শিবাঞ্জলি দেববর্মা। প্রশ্ন উঠছে আইনকে আইনের মতো করে কাজ করতে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করছে না তো শিবাঞ্জলিরা?
আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে সিধাই থানাধীন চাইলতা বাড়ি গ্রামে এক গৃহবধূ ধর্ষণ হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তরা গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে ছাড়া পেয়েছেন। এরই মধ্যে সম্প্রতি অভিযুক্তের পরিবারের লোকেরা নিগৃহীতার বাড়িতে আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। নিগৃহীতাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চাপ সৃষ্টি করা হয় মামলা প্রত্যাহারের। এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে অভিযুক্তদের হাতে নিগৃহীত হয়েছেন ভারত চৌধুরী এডিসি ভিলেজের চেয়ারম্যান তথা তিপ্রামোথা দলের নেত্রী ফুলো রানী দেববর্মা। এই ঘটনার পর তিপ্রা মোথা দলের মহিলা সংগঠন টিডব্লিউ এফের সম্পাদিকা শিবাঞ্জলি দেববর্মা, সংগঠনের জেলা কমিটির কোষাধ্যক্ষ মীরা দেববর্মা এবং ওয়াইটিএফের নেতা আদশ দেববর্মা শুক্রবার এলাকা পরিদর্শন করেন। এরপরই ফুল রানী দেববর্মা আক্রান্ত হবার ঘটনা মিথ্যা বলে দাবি করেছিলেন শিবাঞ্জলি। এই ঘটনার ২৪ ঘন্টা পার হতে না হতেই শনিবার পুনরায় এই এলাকাতে যান উনারা। নিগ্রিদিতা এবং এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে এই দিন রাতে পাল্টা বিবৃতিতে শিপাঞ্জলি বলেন নিগৃহীতার বাড়িতে এবং চেয়ারম্যান ফোলরাণী দেববর্মার ওপর আক্রমণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। অন্যদিকে আদর্শ দেববর্মা বলেন তারা নিগৃহীতার পাশে আছেন। আইনিভাবে সাহায্য করা হবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মহিলা নেত্রী দুই ধরনের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এই ঘটনার মোড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে নাতো। কারণ শিবাঞ্জলি শুক্রবার বলেছিলেন উনারা বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য এসেছেন। প্রশ্নরছে ধর্ষণের মামলা এবং এই মামলাকে কেন্দ্র করে আক্রমণ করার ঘটনা মীমাংসা করার মতো অধিকার কে দিয়েছে উনাদের? স্থানীয়দের দাবি পুলিশ আইন মোতাবেক উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। পাশাপাশি এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীদের এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করুক পুলিশ।
What's Your Reaction?






