ঐতিহ্যবাহী ব্রহ্মকুন্ডু মেলার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী
রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ব্রহ্মকুণ্ড মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো আজ। তিনদিন ব্যাপী চলবে এই মেলা।মেলার দিন গুলোতে অনুষ্ঠিত হবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।মেলায় সরকারি প্রদর্শনীর স্টল গুলো পরিদর্শন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিরা।

দ্যা ফ্যাক্ট :- রাজ্যের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো সুন্দর এবং আধুনিকীকরণের মাধ্যমে মানুষের সামনে উপস্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শুক্রবার অশোকাষ্টমি তিথি উপলক্ষে তিনদিন ব্যাপী ব্রহ্ম কুন্ডু মেলার উদ্বোধন করে এই কথা বললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা। এদিন মেলার উদ্বোধনের পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরের প্রদর্শনী স্টল উদ্বোধন করলেন তিনি।
রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে এবং মোহনপুর মহকুমা প্রশাসন ও মেলা কমিটির যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় ব্রহ্মকুণ্ড মেলা। শুক্রবার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে মেলার শুভ সূচনা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহা। এই মেলার উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত ভাষণ রাখতে গিয়ে সিমনার বিধায়ক তথা রাষ্ট্রমন্ত্রী বৃষ কেতু দেববর্মা বলেন এই মেলাটি বর্তমানে শুধুমাত্র সিমনা এলাকা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। গোটা রাজ্যের মানুষ সমবেত হয় এই মেলাতে। ইতিমধ্যেই এই মেলা প্রাঙ্গণকে আরো সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার জন্য পর্যটন দপ্তর থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে তার কাজ। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নিকট আহ্বান রাখেন সিমনা বিধানসভা এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য।
অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন বর্তমানে দেশের সরকার সমস্ত ধর্মীয় স্থানগুলোকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তার থেকে ব্যতিক্রম নয় এই ছোট্ট রাজ্য ত্রিপুরাও। ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার পাশাপাশি তার পাশেই একান্ন পিঠের আদলে কাল্পনিক মন্দির তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কসবেশ্বর কালীবাড়ি, চৌদ্দ দেবতা বাড়িকেও সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি ধর্মীয় স্থানগুলোকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলে পর্যটনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারও সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মেলার উদ্বোধনের পাশাপাশি সরকারি দপ্তরের বিভিন্ন প্রদর্শনী স্টল গুলো উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিটিএএডিসির ইএম রবীন্দ্র দেববর্মা, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, জেলাশাসক ডক্টর বিশাল কুমার, মহকুমা শাসক সুভাষ দত্ত সহ অন্যান্যরা।
What's Your Reaction?






