CPI(M)-র ভোট গরমিলের অভিযোগের স্পষ্টিকরণ দিল ARO, কটাক্ষ করেন রতন
মোহনপুরের ৩৮ নং বুথে তালিকাভুক্ত ভোটারের চাইতে ভোট গ্রহণ বেশি হওয়ায় অভিযোগ এনেছিল জিতেন্দ্র চৌধুরী। ইডিসি ভোটারের কারণে সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন এআরও।

দ্যা ফ্যাক্ট:- মোহনপুর বিধানসভার ৩৮ নং পোলিং বুথে তালিকাভুক্ত ভোটারের চাইতে ভোট প্রদান বেশি হওয়ার সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদকের অভিযোগের সদুত্তর দিলেন এআরও।ইডিসি ভোটারের কারণে বৃদ্ধি পেরেছে ভোটারের সংখ্যা।পাশাপাশি বিরোধী দলনেতার এই ধরনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনা করলেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ
লোকসভা নির্বাচনের পশ্চিম আসনে একাধিক পোলিং বুথের পাশাপাশি ২ নং মোহনপুর বিধানসভার ৩৮ নং পোলিং বুথে ভোটারের চাইতে ভোট বেশি পড়ার অভিযোগ করেছেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। এই অভিযোগের বিষয়ে মোহনপুর বিধানসভার অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার তথা মহকুমা শাসক সুভাষ দত্ত জেলা শাসকের নিকট লিখিত স্পষ্টিকরন দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ ৩৮ নং পোলিং বুথ স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের কাছাকাছি একটি ভোট গ্রহণ কেন্দ্র। স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ে করা হয়েছিল স্ট্রং রুম। ফলে এই স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ে ভোট গ্রহণের সাথে জড়িত অনেক কর্মচারী নিয়োজিত ছিলেন। যারা নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী ইডিসি প্রক্রিয়ায় যেকোনো ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার বৈধতা ছিল। এখানে নিয়োজিত ৬৩ জন ইডিসি ভোটার ভোট দিয়েছেন এই ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে। এই পোলিং বুথের অন্তর্গত ৪৫২ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৪২৯ জন। অন্যদিকে ইডিসি ভোট দিয়েছেন ৬৩ জন। সব মিলিয়ে ভোট পড়েছে ৪৯২ টি। স্বাভাবিক ভাবেই মোট তালিকাভুক্ত ভোটারের চাইতে ভোটের সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে। শতাংশের হার ১০৮.৮৪ ভোট পড়েছে এই কেন্দ্রে। মহকুমা শাসকের এই তথ্য অনুযায়ী এই ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে আপাতদৃষ্টিতে কোন ধরনের অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে মোহনপুরে বিধায়ক তথা মন্ত্রী রতন লাল নাথ বলেন সিপিআইএম দলের লজ্জা থাকা উচিত। কারণ তারা নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী ভোট প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন। তাঁরা এটা জানেনই না ইডিসি প্রক্রিয়ায় নির্বাচনী কেন্দ্রের যেকোনো ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ভোটাররা ভোট প্রদান করতে পারেন। সিপিআইএম দলের এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনা করলেন মন্ত্রী।
What's Your Reaction?






