হাফ প্যান্ট পড়ে জরিমানা আদায় করা লেম্বুছড়া ফাঁড়ির ওসি নিজেকে ক্লিনচিট দিতে ভিলেন বানালেন সংবাদ মাধ্যমকে
গত রবিবার লেম্বুছড়া ফাঁড়ির ওসি রঞ্জন বিশ্বাস নাকা চেকিংয়ে বসে জরিমানা আদায় করেন গাড়ি চালকদের কাছ থেকে। কিন্তু সে সময় ওনার শরীরে কোন ধরনের পুলিশের পোশাক ছিল না। এ বিষয়ের সংবাদ প্রচার হওয়ার পর তিনি সাফাই দিলেন ঐদিন তিনি ডিউটিতে ছিলেন না। পাশাপাশি তিনি জরিমানা হাসিল করছিলেন না বলেও জানিয়েছেন। এমনকি সংবাদ মাধ্যম যেভাবে বিষয়টি পরিবেশন করেছে সেটিও ভুল বলে দাবি করলেন রঞ্জন।
দ্যা ফ্যাক্ট :- হাফপ্যান্ট পড়ে জাতীয় সড়কের পাশের নাকা চেকিংয়ে জরিমানা আদায়ের বিষয়ে সংবাদ সম্প্রচার হওয়ার পর সাফাই দিলেন লেম্বুছড়া ফারির ওসি রঞ্জন বিশ্বাস। বললেন তিনি ডিউটিতে ছিলেন না। প্রাতঃ ভ্রমণ সেরে ফেরার পথে নাকা চেকিংএ কি ধরনের কাজকর্ম চলছে সেটি দেখতে গিয়েছিলেন। অথচ উনার ভিডিও ধারণ করার সময় এই প্রসঙ্গে একটি শব্দ ব্যবহার করিনি তিনি। তাহলে কি পুলিশের মান বাঁচাতেই সাফাই দিলেন ওসি সাহেব।
রবিবার সকালে লেম্বুছড়া এলাকায় অন্যান্য দিনের মতো চলছিল নাকা চেকিং। সেখানে উপস্থিত ছিলেন লেম্বুছড়া ফাঁড়ির ওসি রঞ্জন বিশ্বাস। দেখা গেছে তিনি হাফপ্যান্ট ও হাত কাটা গেঞ্জি পরে যান চালকদের কাছ থেকে জরিমানা হাসিল করছেন। সেই সময় কতিপয় ব্যক্তি উনার ভিডিও ধারণ করছিল। পুলিশের নাকা চেকিংয়ের ঘরের ভেতর ইউনিফর্ম ছাড়া উনাকে দেখতে পেয়ে বারবার প্রশ্ন করা হয় আপনি কি লেম্বু ছড়া ফাড়ির ওসি? কিন্তু কোন উত্তর দেননি তিনি। কাজ করে যাচ্ছিলেন নীরবে। এই বিষয়ের সংবাদ সম্প্রচার হওয়ার পর আত্মপক্ষ সমর্থনে সাফাই দিলেন ওসি। বললেন প্রাত ভ্রমণ সেরে আসার সময় পুলিশ কর্মীরা সঠিকভাবে রেজিস্টার মেনটেন করছে কিনা সেটি দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। তখন তিনি ডিউটিতে ছিলেন না। যেভাবে সংবাদ প্রচার হয়েছে সেটি সত্য নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাহলে প্রশ্ন উঠছে যখন আপনাকে ভিডিও ধারণ করা ব্যক্তি জিজ্ঞেস করছিলেন আপনি ফাঁড়ির ওসি কিনা আপনি কেন জবাব দিলেন না ? কারণ পুলিশের পোশাক ছাড়া কোন ব্যক্তি যদি জানচালকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে তাহলে সেটি কোন দালাল চক্র কিনা সাধারণ মানুষের বোঝার কোন জু নেই। অথচ এই কাজটি প্রকাশ্যে করার পর আবার সাফাই দিলেন ওসি সাহেব। প্রতিবাদ করলেন সংবাদ পরিবেশনের ধরন নিয়ে। কিন্তু প্রক্ষান্তরে তিনি যে রাষ্ট্রপতি কালার্স প্রাপ্ত ত্রিপুরা পুলিশকেই বেইজ্জত করেছেন তা কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের গতরে না লাগলেও হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে উনার সহকর্মীরাই।
What's Your Reaction?