কৃষি দপ্তর থেকে দেওয়া বীজের ধান মরশুমের আগেই পেকে গেল,পাখির আক্রমণে সর্বসান্ত কৃষক
কৃষি দপ্তরের আরজিপি প্রকল্পে ধান চাষ করে ব্যাপক ক্ষতির মুখে দুই কৃষক। আগাম ধান পেকে যাওয়ায় সমস্ত ধান খেয়ে ফেলেছে পাখি। ঘটনা মোহনপুর কৃষি মহকুমা এলাকার অন্তর্গত নন্দলাল দাসপাড়ার কলগর মাঠে। সরকারি সহযোগিতার দাবি করলেন আগা গোড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।
দ্যা ফ্যাক্ট :- কৃষি দপ্তরের আরজিবি প্রকল্পে ধান চাষ করে না খেয়ে মরার উপক্রম ২ চাষির । ঘটনা মোহনপুর কৃষি মহকুমা এলাকার অন্তর্গত নন্দলাল দাসপাড়ার কল ঘর মাঠে। অভিযোগ কৃষি দপ্তরের তরফ থেকে নতুন প্রজাতির বীজ দেওয়া হয়েছিল কৃষকদের। দপ্তর আশ্বাস দিয়েছিল উৎপাদিত ধান বীজ হিসেবে ক্রয় করবে। কিন্তু পার্শ্ববর্তী জমির চাইতে আগাম ফলন আসায় এবং ধান পেকে যাওয়ায় সমস্ত ধান খেয়ে ফেলেছে পাখি। বর্তমানে দুই কৃষকের ভাত খাবার ধান নেই বলে অভিযোগ করলেন তারা।
কৃষি দপ্তর থেকে আরজিপি প্রকল্পে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কৃষকদের ধানের বীজ দেওয়া হয় ধান চাষ করার জন্য। একইভাবে পঞ্চবটি কৃষি সেক্টরের অধীন কলঘর মাঠে অনুপম দেবনাথ এবং কাজল দাসকে বীজ দেওয়া হয় দপ্তরের তরফ। অনুপম দেবনাথ পাঁচকানি জমিতে এই ধানের চাষ করেন। অন্যদিকে ছমি বর্গা নিয়ে ৪.৫ কানি জমিতে ধানের চাষ করলেন কাজল দাস। দেখা গেছে গোটা এলাকা জুড়ে কোন প্রজাতির ধান এখনো পাকেনি। কিন্তু এই দুই কৃষকের জমির ধান সম্পূর্ণ পেকে গেছে। ফলে ব্যাপকভাবে পাখি আক্রমণ জমিয়েছে এই জমিগুলোতে। সমস্ত ধান খেয়ে ফেলেছে পাখি। কৃষকদের অভিযোগ কৃষি দপ্তরের খামখেয়ালীর কারণে এবছর তারা ধান চাষ করে আগাগোড়া সম্পূর্ণ ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ কৃষি দপ্তর থেকে এই বীজ যদি সরবরাহ না করা হতো তাহলে উনারা নিজেদের বীজ দিয়ে ধানের চাষ করতেন। তাহলে এই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হতো না উনাদের। উনারা চাইছেন এই ব্যাপক ক্ষতির মুখ থেকে উত্তরনের জন্য কৃষি দপ্তর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিক।
What's Your Reaction?