পদ নিয়ে অসন্তোষ বৃষকেতু বিধানসভায় অনুপস্থিত, পদত্যাগের গন্ধ
রাজ্যমন্ত্রীর পদে নাখোশ সিমনার বিধায়ক। বিধানসভার অধিবেশনে টানা অনুপস্থিত।

দ্যা ফ্যাক্ট :- রাজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর প্রথম বিধানসভা অধিবেশনে অনুপস্থিত বৃষকেতু দেববর্মা। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে রাজ্যমন্ত্রীর পদ মনোপোতো হয়নি। যার ফলস্বরূপ পদত্ত্যাগ করার সিদ্ধান্তের কথা শোনা যাচ্ছে ঘনিষ্ঠমহল থেকে। একই কারণে বিধানসভা অধিবেশনের পরপর তিনদিন বৃষকেতু অনুপস্থিতির পেছনে একি কারণ দাবি ঘনিষ্ঠ মহলের।
ইতিপূর্বে বৃষকেতু দেববর্মা উনার পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন বলে উনার ঘনিষ্ঠসূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছিল। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে তিপ্রা মথাদলের ভেতর প্রাথমিক আলোচনায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল বলে খবর। গতমাসেই উনার পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। মন্ত্রী নিজেও একাধিক স্থানে দলীয় কর্মসূচিতে এই বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। কিন্তু এরই মধ্যে রাজ্যে ঘটে গেল ভয়াবহ বন্যা। বন্যার পরিস্থিতি পরিবর্তন হওয়ার আগেই দলের সামনে চলে আসলো নতুন সমীকরণ। দিল্লিতে এটিটিএফ, এনএলএফটি, কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে শান্তি মৌ সাক্ষরিত হয়েছে। এই মৌ স্বাক্ষর তিপ্রা মতাদলের কাছে একটি বড় ইস্যু। কারণ ইতিমধ্যেই এটিটিএফের সুপ্রিমো রঞ্জিত দেববর্মা ত্রিপ্রা মথা দলের বিধায়ক পদে রয়েছেন। এই চুক্তিতে সন্ত্রাসবাদি গোষ্ঠীদের সাথে আলোচনার ক্ষেত্রে রঞ্জিত দেববর্মার একটি ভূমিকা ছিল বলে খবর। এই অবস্থাতে দল বৃষকেতুর পদত্যাগের বিষয়টি আপাতত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে না। তবে বিগত তিনদিন যাবত বিধানসভার অধিবেশনে বিরোধী এবং শাসকদলের প্রায় সব সদস্যদেরকে দেখা গেছে। কিন্তু রহস্যজনকভাবে অনুপস্থিত ছিল বৃষকেতু দেববর্মা। যতদূর খবর তিনি রাজ্য মন্ত্রীর পদ নিয়ে একেবারে সন্তুষ্ট নন। এই কারণেই এই পথ থেকে ইস্তফা দিতে চাইছেন তিনি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ইস্তফা দেওয়া কোনভাবেই বিজেপি এবং শরিক দল হিসেবে তিপ্রা মাথার পক্ষে উপযুক্ত সময় নয়। এই কারণেই আপাতত বৃষকেতো পদত্যাগ করছেনা বলে খবর। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তিনি বিধানসভার অধিবেশনেও অনুপস্থিত ছিলেন বলে রাজ্য মন্ত্রী বৃষকেতু দেববর্মার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর।
What's Your Reaction?






