মাথার উশৃংখল বাহিনীর হাতে আক্রান্ত সালেমার বিডিও, ইঞ্জিনিয়ার ও ব্যবসায়ীরা
বন্ধের সমর্থনকারীদের আক্রমণে গুরুত্ব যখম হয়েছেন সালেমা ব্লকের বিডিও অভিজিৎ মজুমদার সহ অন্যান্য আধিকারিক ও স্থানীয় ব্যবসায়ী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। দাবি উঠেছে সরকার সমালোচনার পরিবর্তে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।
দ্যা ফ্যাক্ট :- সিভিল সোসাইটির আড়ালে মথার ডাকা ত্রিপুরা বন্ধ সফল করতে অবশেষে রক্ত ঝরালো বন্ধ আহ্বায়করা। অভিযোগ মথা সমর্থিত গুন্ডাবাহিনী এই আক্রমণ সংঘটিত করে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন সালেমা ব্লকের বিডিও সহ অন্যান্য আধিকারিক ও স্থানীয় জনতা।
তিপ্রা মথার জনপ্রিয়তা প্রতিদিন হ্রাস পাচ্ছে। বর্তমানে এই দলের নেতাদের কাছে সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দলীয় কর্মীকে ধরে রাখা। এই পরিস্থিতিতে উশৃঙ্খলতার পথ এবং সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই দলীয় নেতৃত্বের কাছে। বৃহস্পতিবার সিভিল সোসাইটির আড়ালে মথা ত্রিপুরাতে যে বন্ধ আহবান করেছিল সেই বন্ধ সাধারণ মানুষ প্রত্যাখ্যান করে। অবশেষে পথ অবরুদ্ধের মাধ্যমে বন্ধ সফল করার উদ্যোগ নেয় নেতৃত্ব।
এত যখন বিভিন্ন জায়গাতে ব্যর্থ হয় তখন শুরু হয় আক্রমণ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যান চালক, পথচারীদের ওপর আক্রমণ হয়। রাজধানীর আগরতলায় কর্তব্যরত চিকিৎসক বাইক নিয়ে যাওয়ার সময় উনার উপর চড়াও হয় বন্ধ সমর্থকরা।
অন্যদিকে সালেমা ব্লকের বিডিও অভিজিৎ মজুমদারের ওপর প্রাণঘাতী আক্রমণ করার অভিযোগ উঠেছে প্রদ্যুৎ এবং রঞ্জিত গ্যাং এর বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা সরাসরি এই ঘটনায় তিপ্রা মথাকে অভিযুক্ত করেছেন। অভিযোগ বিডিও অভিজিৎ মজুমদারের পাশাপাশি গুরুতর আহত হয়েছেন সালেমা ব্লকের ইঞ্জিনিয়ার অনিমেষ সাহা, বাজারে ব্যবসায়ী সুজিত পাল সহ আরো একাধিক জনতা। এদিন সঙ্ঘবদ্ধ আক্রমণে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে সকলকে। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ এবং সমালোচনা ব্যক্ত করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য।
এখন দেখার মানিক সাহার সরকার এবং রাজিব ভট্টাচার্যের সংগঠন সন্ত্রাসবাদী রঞ্জিত এবং সাম্প্রদায়িক প্রদ্যুৎ এর নিকট গুড বয় হয়ে থাকেন? নাকি মেরুদন্ড সোজা করে রাজ্যবাসীকে ইনসাফ প্রদান করেন?
What's Your Reaction?