মাটি বাঁচাতে আন্দোলনমুখী গ্রামবাসী, মহকুমা শাসকের নিকট জানানো হলো দাবী
মোহনপুর মহকুমার বড়লোঙ্গার শিবির গ্রামে এসআরপি প্রোজেক্টের করা জমি সংক্রান্ত অভিযোগের আইনি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আন্দোলনমুখী গ্রামবাসী।

দ্যা ফ্যাক্ট :- বামুটিয়া বিধানসভার বড়লোঙ্গার শিবির গ্রামে এসআরপি নামক কোম্পানির জমি সংক্রান্ত অভিযোগকে কেন্দ্র করে সোমবার রাস্তায় নামেন গ্রামবাসী। অবশেষে মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি টিম গ্রামে এসে সমস্যা সম্পর্কে অবগত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সম্প্রতি বিনোদিনী চা বাগান, যা বর্তমানে এসআরপি গ্রুপ নামে পরিচিত, বড়লোঙ্গার শিবির গ্রামের বাসিন্দাদের নামে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মোহনপুর মহকুমা শাসক ২৮টি পরিবারকে নোটিশ পাঠিয়েছেন। গ্রামের সীমানায় অবস্থিত বাড়িগুলোকে শুধুমাত্র এই নোটিশ করা হয়েছে। আজ ছিল হিয়ারিং, যেখানে গোটা গ্রামের মানুষ মোহনপুর মহকুমা শাসক কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হন। মিছিল করে গ্রামবাসী শাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হন।
বামুটিয়ার প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণ ধনদাস জানান, বিগত প্রায় ৬০ বছর যাবত এই গ্রামে মানুষ স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। অনেকে জমি ক্রয় করেছেন, অনেকে খাসের জমিতে রয়েছেন, আবার অনেকে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তৎকালীন সরকারের উদ্যোগে এই এলাকায় আশ্রয় পেয়েছিলেন। সে সময় বর্তমান এসআরপি গ্রুপের জমি ছিল বিনোদিনী চা বাগানের মালিকানায়, এবং সেই সময় মালিকের সাথে আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ রয়েছে গ্রামবাসীর কাছে।
কিন্তু সম্প্রতি এসআরপি গ্রুপ কর্তৃপক্ষ এই জমির মালিকানা দাবি করে মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ করেছে। কৃষ্ণ ধনদাস এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। এদিন মহকুমা শাসকের সাথে গ্রামবাসী, জনপ্রতিনিধি ও নেতৃত্বরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন যে, মহকুমা শাসকের তরফ থেকে একটি টিম গঠন করে গ্রাম পরিদর্শন করা হবে। সেখানে গ্রামবাসীর সাথে আলোচনা করা হবে এবং সমস্যাগুলো সম্পর্কে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সদস্য জয় লাল দাস, মোহনপুর পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জীব দাস সহ অন্যান্যরা।
What's Your Reaction?






