কালীবাজারে স্থাপন করা কোল্ড চেম্বার ৬ মাসে কাজে এলো না কৃষকদের
কোল্ড চেম্বার থেকেও ব্যবহার থেকে বঞ্চিত বামুটিয়ার চাষীরা

দ্যা ফ্যাক্ট ব্যুরো:-কৃষকদের জন্য নির্মিত কোল্ড চেম্বার নর্দমায় পরিণত হয়েছে ব্যবহারের আগেই। এদিকে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সংরক্ষণ করার মতো ফসল এবং ফল উৎপাদন করে সমস্যার সম্মুখীন এলাকার চাষীরা। ঘটনা বামুটিয়ার কালী বাজারে।
সময় বদলেছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রয়োজনের সাথে সাজুজ্য রেখে চাষীদের সহযোগিতা করতে কালীবাজার স্থাপন করা হয় সৌরশক্তি পরিচালিত কোল্ড চেম্বার। সরকারের এই উদ্যোগ দেখে কৃষি কাজকে নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা ভাবনা শুরু করে এলাকার চাষীরা। বিশেষ করে এলাকার কিছু প্রগ্রেসিভ ফার্মার এলাকায় নতুন ধরনের ফসল এবং ফল উৎপাদনে এগিয়ে আসছে। যে সমস্ত ফসল এবং ফল বামুটিয়ায় বা তাঁর সংলগ্ন এলাকায় কখনোই উৎপাদন হতো না। এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপসিকাম, বেবিকর্ন, ড্রাগন ফ্রুটস, জাতীয় ফল এবং সবজি।
প্রায় ছয় মাস আগে কালী বাজারে স্থাপন করা হয় কোল্ড চেম্বার। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার পরিষেবা পায়নি স্থানীয় কৃষকরা। বর্তমানে মাছ বাজারের সমস্ত জঞ্জাল আবর্জনা নিয়ে ফেলা হচ্ছে কোল্ড চেম্বারের চার পাশে।
এই কোল্ড চেম্বার ব্যবহার করার দাবিতে এলাকার চাষীরা একাধিকবার বামুটিয়া এগ্রি সাব ডিভিশনের এস.এ রাজু রবিদাসের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। যতদূর জানা গেছে পূর্ত দপ্তর থেকে কোল্ড চেম্বারের ভেতরে সবজি এবং ফল রাখার জন্য রেক স্থাপন করা হয়নি। ফলে কৃষি দপ্তর পূর্ত দপ্তরের কাছ থেকে এই কোল্ড চেম্বারের দায়িত্বভার বুঝে নিচ্ছে না। এই দুই দপ্তরের মাঝে পরে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি সম্মুখীন চাষীরা।
কৃষি কলেজের সহযোগিতায় বেশ কিছু চাষী বেবীকর্ণ চাষ শুরু করলেও শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সংরক্ষণের অভাবে সঠিকভাবে বাজারজাত করা যায়নি। ফলে যারা এই চাষ করেছেন প্রত্যেকেই ব্যাপকভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
কোল্ড চেম্বারের উপর ভরসা করে চাষিরা নতুন চাষের দিকে এগিয়ে গেলেও কোল্ড চেম্বার সাক্ষীগোপাল হয়ে থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা। সময়ের সঠিক মূল্য দিয়ে অতিসত্বর এই কোল্ড চেম্বার এলাকার চাষীদের ব্যবহার যোগ্য করে তোলার দাবি উঠেছে কৃষকদের তরফে।
What's Your Reaction?






