আবারো নাবালিকা ধর্ষণ এবং গর্ভপাতের অভিযোগ, পুলিশে অভিযোগ দায়ের
নাবালিকাকে ধর্ষণের পর গর্ভপাত করানোর অভিযোগে লেফুঙ্গা থানাতে মামলা দায়ের।

দ্যা ফ্যাক্ট : আবারো ধর্ষণের শিকার নাবালিকা। ৬৫ বছর বয়সী আশুতোষ সরকার ওরফে আশুর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। নাবালিকা গর্ভবতী হয়ে পড়ায় আগরতলার সরকার নার্সিংহোমে গর্ভপাত করানোর অভিযোগ রয়েছে আশুর বিরুদ্ধে। ঘটনা লেফুঙ্গা থানার অন্তর্গত রাঙ্গুটিয়া এলাকায়।
১৪ পেরিয়ে ১৫ তে পা রাখল নাবালিকা। খেলাধুলার অভ্যাস এখনো রয়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে তার দেহের উপর নারকীয় যৌন নির্যাতন সইতে হলো তাকে। জানা গেছে প্রায় ৩ মাস আগে এক নাবালিকাকে নিজ বাড়িতে এনে ধর্ষণ করে আশুতোষ। এরই মধ্যে নাবালিকা গর্ভবতী হয়ে পড়ে। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বাড়ির লোকেরা তাকে নিয়ে যায় বামুটিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। সেখানে গিয়ে হতভম্ব হয়ে পড়ে পরিবারের লোকেরা। চিকিৎসকেরা জানায় সে গর্ভবতী। কর্তব্যরত চিকিৎসক বাড়ির লোকেদের পরামর্শ দিয়েছেন সোনোগ্রাফি করার। বাড়িতে এসে বাড়ির লোকেরা তাকে সোনোগ্রাফি করানোর পূর্বেই আসোতো এই বিষয়টি জানতে পারে। ততক্ষণ পর্যন্ত বাড়ির লোকেরা জানতে পারিনি কে এই নাবালিকার সর্বনাশ করেছে। কারণ নাবালিকা একেবারেই সহজ সরল সাধারণ। এরই মধ্যে আশুতোষ নাবালিকাকে বাড়ির লোকেদের অজান্তে নিয়ে যায় আগরতলায়। সেখানে টেরেসা ডায়াগনোসিস সেন্টারে করানো হয় সনোগ্রাফি। এই দিনই সরকার নার্সিংহোমে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে গর্ভপাত করানো হয়েছে বলে অভিযোগ করে নাবালিকার মা। সেদিন দুপুরে নাবালিকার বড় বোনকে ফোন করে আশুতো জানায় নার্সিংহোম থেকে তার বোনকে এসে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তোরিঘরি তারা সেখানে ছুটে গেলে গোটা ঘটনা জানতে পারে। এরই মধ্যে নাবালিকার বাড়ির লোকেরা পুলিশে অভিযোগ করার প্রস্তুতি নেই। এই সুযোগে বহিরাজ্যে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে আশুতোষ। নাবালিকার তরফে তার মা বিস্তারিত জানিয়ে লেফুঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। পরিবারের দাবি উপযুক্ত আশুতো সরকার ওরফে আশুর বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার।
What's Your Reaction?






