মেরুপাড়াতে বাংলাদেশে পাচারের সময় আটক ১১০০০ কিলো চিনি
BSF ও পুলিশের যৌথ অভিযানে অবৈধ চিনি পাচারে ব্যাপক সাফল্য

দ্যা ফ্যাক্ট:- বাংলাদেশের এক শ্রেণীর অতি উৎসাহী জনগণ সামাজিক মাধ্যমে ভারতীয় পণ্য বয়কটের আহ্বান করে। আবার অবৈধভাবে ভারত থেকে আমদানি করা চিনি খেয়ে দিব্যি আছেন তারা। এই ধরনের একটি পাচার প্রক্রিয়া আটকে দিল পুলিশ ও সীমান্ত রকি বাহিনী। ঘটনা দক্ষিণ জেলার অন্তর্গত মেরু পাড়ায়। আটক করা হয়েছে ২২০ বস্তা চিনি।
বাংলাদেশের একশ্রেণীর দুষ্ট বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদের অভ্যাস হয়ে গেছে ভারতের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করা। ভারত বিরোধী কথা বলে বলে সামাজিক মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মন মানসিকতা বিষিয়ে তোলা তাঁদের রীতিমতো নিত্যদিনের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে সম্প্রতি ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে কতিপয় বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। অথচ প্রতিদিন ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের ত্রিপুরা দিয়ে হাজার হাজার বস্তা চিনি অবৈধ ভাবে ভারত থেকে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সেই চিনি খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন ধরনের বয়কটের বিষয় থাকছে না বাংলাদেশের। আবার অবৈধভাবে এই চিনি বাংলাদেশ আমদানি করার ক্ষেত্রেও বয়কট করার ডাক দিচ্ছে না ওই অতি উৎসাহীরা। এই অবৈধ কার্যকলাপের সাথে জড়িত ভারতের পাচারকারীরাও। এই ধরনের এটি পাচার প্রক্রিয়া রুখে সাফল্য পেল নিরাপত্তা কর্মীরা। শ্রীনগর পুলিশ ফাঁড়ির কর্মী এবং সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর কর্মীরা যৌথভাবে মেরুপাড়ায় অভিযান চালায়। এই অভিযানে বাংলাদেশে পাচারের জন্য আনা মোট ২২০ বস্তা চিনি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। প্রতিটি বস্তাতে ৫০ কিলো করে রয়েছে চিনি। এই ধরনের পাচার বাণিজ্যর রোধে ভারতের নিরাপত্তা কর্মীরা আরো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবী তুলেছেন সচেতন মহল।
What's Your Reaction?






