জনজাতিদের অন্তিম ব্যক্তি পর্যন্ত উন্নয়ন পৌঁছে দেবে সরকার, হেজামারায় বললেন মুখ্যমন্ত্রী
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির ১২৯ তম মন কি বাত অনুষ্ঠান হেজামারায় শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মন কি বাত অনুষ্ঠানে দেশের মানুষকে যেভাবে এক নতুন দিশা দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সেই পথে হাঁটার আহবান করলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা।
দ্যা ফ্যাক্ট :- কোন ধরনের চক্রান্ত করে ত্রিপুরার উন্নয়ন আটকানো যাবে না। এই সরকার জনজাতিদের উন্নয়ন করতে বদ্ধপরিকর। রাজ্যের জনজাতিদের অন্তিম ব্যক্তি পর্যন্ত পৌঁছে দেয়া হবে উন্নয়নের ছোঁয়া। রবিবার দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ১২৯ তম মন কি বাত অনুষ্ঠান শোনার পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে হেজামারাতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহা।
১ নং সিমনা বিধানসভার হেজামারা কমিউনিটি হলে মন কি বার্তা অনুষ্ঠান শোনার আয়োজন করা হয়। এদিন দলের সমর্থক এবং নেতৃত্বদের সাথে মন কি বাত শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা। মন কি বাত শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। ২০১৮ সালের পর থেকে ত্রিপুরাতে একের পর এক নতুন জাতীয় সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। তার বেশিরভাগ অংশই জনজাতি এলাকায় হয়েছে। অন্যদিকে জনজাতিদের সমাজপতিদের ভাতা ২০০০ টাকা চালু করার পর বর্তমানে তা ৫০০০ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের সাব ট্রাইব জাতি গোষ্ঠীর সমাজ পতিদেরকে সাম্মানিক ভাতা প্রদান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
অন্যদিকে রাজ্যের জনজাতিদের জন্য যে সমস্ত প্রকল্প রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নের বিষয়গুলোকে আরো সুন্দরভাবে দেখার জন্য জেলাস স্তরে এবং মহকুমাস স্তরে একজন করে আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে এই কাজগুলো আরো সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন হবে বলে আশা ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
পাশাপাশি রাজ্যের ককবরক ভাষা লেখার জন্য রোমান স্ক্রিপ্টের তীব্র বিরোধিতা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাবে বলেন যদি ককবরক ভাষায় লেখার জন্য রোমান স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করা হয় তাহলে এইট সিডিউলে তার কোন স্থান থাকবে না। যার ফলে আগামী দিনে এই ভাষা অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন ককবরক ভাষার রোমান স্ক্রিপ্ট ইস্যুতে সুড়সুড়ি দিয়ে রাজনীতির ফায়দা নেওয়ার কোন মানে নেই। আগামী দিনে ককবরক ভাষা লেখার জন্য নিজস্ব স্ক্রিপ্ট তৈরি করা অথবা দেশীয় লিপি ব্যবহার করা হলে সরকারের কোন আপত্তি থাকবে না বলে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন মন কি বাত অনুষ্ঠানে মঞ্চ থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে সূচনা হয়েছে কম্বল বিতরণ কর্মসূচির। অনুষ্ঠান মঞ্চে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর গ্রামীণ জেলার সভাপতি গৌরাঙ্গ ভৌমিক, মন্ডল সভাপতি ইন্দ্রজিৎ দেববর্ম, দলের সহ-সভাপতি মঙ্গল দেববর্মা, দলের সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা সহ অন্যান্যরা।
What's Your Reaction?