সামাজিক দায়বদ্ধতাকে পাশে নিয়ে কাতলামারার কাঠিয়া বাবা মিশন স্কুলের ২৩-এ পা
কাতলামারায় গড়ে ওঠা কাঠিয়া বাবা মিশন স্কুল পা রাখল ২৩ বছরে। সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং শিক্ষার প্রসারে কাঠের মিশন স্কুল আজ রাজ্যের একাধিক জেলায় নিজেদের বীজ বপন করতে সক্ষম হয়েছে।
দ্যা ফ্যাক্ট :- সিমনা বিধানসভার কাতলামারাতে কাঠিয়া বাবা চ্যারিটেবল সোসাইটি পরিচালিত কাঠিয়া বাবা মিশন স্কুল ২৩ বছরে পা রাখল। কাতলা মারা থেকে শুরু হওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রামীন এলাকাতে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে নিজেদের ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি সমাজের স্বজনহীন বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এবং মাতা পিতাহীন সন্তানদের জন্য নতুন আশ্রয়ের ঠিকানা জীবনানন্দ পরিবার শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। সাংবাদিক সম্মেলনে সোসাইটির সম্পাদক মান্না রায় জানিয়েছেন এই তথ্য।
উন্নয়নের নিরিখে অত্যন্ত পিছিয়ে পড়া অঞ্চল গুলোর মধ্যে সিমনা বিধানসভার কাতলামার নাম ঠাঁই করে নিয়েছিল অতীতে। পার্শ্ববর্তী এলাকায় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ এবং সরকারি অব্যবস্থায় এই এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন করতেই কাঠিয়া বাবা চ্যারিটেবল সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করে কাঠিয়া বাবা মিশন স্কুলের। বর্তমানে কাতলামারার গণ্ডি পেরিয়ে মোহনপুর, ধর্মনগর, খেদাছড়ায় স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পাশাপাশি খোয়াইতেও নতুন বিদ্যালয় এর কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সোসাইটির সম্পাদক মান্না রায়। তিনি আরো জানান শিক্ষার প্রসারের পাশাপাশি সোসাইটি স্থাপন করেছে জীবনানন্দ পরিবার। রাজ্যের যে কোন স্থান থেকে স্বজন হীন বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের রাখা হবে এই জীবনানন্দ পরিবারে। পাশাপাশি মাতা পিতাহীন কোন সন্তান যদি থাকে তাহলে তাদেরকেউ এখানে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে কাঠিয়া বাবা মিশন স্কুলে ইতিমধ্যেই অভিভাবকহীন বেশ কিছু ছেলে মেয়েকে বিনা পয়সায় হোস্টেলে রেখে পড়াশোনা করানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দোস্ত ছেলেমেয়েদের জন্য অত্যন্ত অল্প অর্থের বিনিময়ে পড়াশোনা করানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। কাতলা মারার কাঠিয়া বাবা মিশন স্কুল সমাজের প্রত্যন্ত অঞ্চল এবং দরিদ্র শ্রেণীর ছেলে-মেয়েদের লক্ষ্য করে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন শ্রী রায়।
What's Your Reaction?