জাল নথি নিয়ে বাংলাদেশীদের ভর্তি করানো হচ্ছে কামালঘাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে জাল নথি দেখিয়ে কামালঘাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বাংলাদেশীদের ভর্তি করানো হচ্ছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ভুয়া নথিপত্র গুলোকে বৈধ দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বাংলাদেশিদের ঢুকিয়ে নিচ্ছেন বিদ্যালয়ে।
দ্যা ফ্যাক্ট :- অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে ভুয়া নথি দেখিয়ে কামলঘাট উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে বাংলাদেশী ছেলে মেয়েরা। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই সমস্ত নথিপত্র গুলো ন্যূনতম যাচাই না করে বাংলাদেশের ছেলে মেয়েদের ভর্তি নিয়ে নিচ্ছে। ফলে সরাসরি প্রভাবিত হচ্ছে স্থানীয় ভারতীয় শিক্ষার্থীরা।
দীর্ঘ বছর যাবত বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে ত্রিপুরার বিশেষ স্থানে রয়েছে। অবাধে ত্রিপুরা রাজ্যে প্রতিদিন বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা প্রবেশ করছে। মোটা টাকার বিনিময়ে হাতিয়ে নিচ্ছে সমস্ত নথিপত্র। প্রশাসনিক কার্যালয়ে এবং বাইরে রয়েছে দালাল চক্র। এই দালালরা বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের কাছ থেকে মোটা টাকার বিনিময়ে এই অবৈধ নথিপত্র গুলো বের করে দিচ্ছে। এমনি এক বাংলাদেশী সম্প্রতি ভর্তি হয়েছে কামালঘাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীতে সুইটি ভৌমিক এবং নবম শ্রেণীর শিলা মনি ভৌমিক ভর্তি হওয়ার সময় তাদের মা বিউটি ভৌমিকের একমাত্র পিআরটিসি বিদ্যালয়ে নথি হিসেবে দাখিল করেছে। এই পিআরটিসি ইস্যু করা হয়েছে সদর মহকুমা শাসক কার্যালয় থেকে। অথচ এতে বিউটি ভৌমিকের ঠিকানা রয়েছে রামকৃষ্ণ আশ্রম, শান্তি পাড়া। প্রকৃত অর্থে এই স্থানটি মোহনপুর মহকুমার কামাল ঘাটে অবস্থিত। তাহলে প্রশ্ন উঠছে মোহনপুর মহাকুমার নাগরিকের পিআরটিসি সদর মহকুমা শাসক কার্যালয় থেকে কিভাবে ইস্যু হয়? আরো প্রশ্ন মোহনপুর মহকুমা এলাকার মানুষ সদর মহকুমা এলাকা থেকে কি কারনে পিআরটিসি সংগ্রহ করবে? নথিতে নেই কোন আধিকারিকের স্বাক্ষর। এই নথি দেখে সহজেই বোঝা যাচ্ছে এটি সম্পূর্ণ জাল নথি। অথচ এই জাল নথি জমা রেখে কামালঘাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুতপা দেববর্মা এই অবৈধ নথীর মাধ্যমে কিভাবে বাংলাদেশী ছেলেমেয়েদের বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন? দাবি উঠেছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করুক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
What's Your Reaction?