রাতের আঁধারে বামুটিয়া স্কুল মাঠ থেকে উদ্ধার গাভী
রাতের আঁধারে বামুটিয়া স্কুল মাঠ থেকে উদ্ধার হয়েছে তিনটি গাভী। স্থানীয়রা এই গাভী গুলো উদ্ধার করে তুলে দিয়েছে বামুটিয়া পুলিশ হাড়ের পুলিশের হাতে। অভিযোগ স্থানীয় এক ব্যক্তি নিজে লাভের জন্য আর গভীর রাতে ছেড়ে দিত এই গাভীগুলো।
দ্যা ফ্যাক্ট :- বামুটিয়ার ভোগজুর গ্রামের যদু সাহা উরফে বইল্লা প্রতি রাতে তার তিনটি গাভী ছেড়ে দেয়। গাভী গুলো অবাধ বিচরণের মাধ্যমে ঘাস খাওয়ার লক্ষ্যেই তার এই উদ্যোগ বলে অভিযোগ। তবে মঙ্গলবার গভীর রাতে বামুটিয়া বিনোদিনী স্কুল মাঠে তার তিনটি গাভী আটক করে স্থানীয়রা। তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।
বামুটিয়ার ভোগজুর গ্রামের রাম রতন সাহার ছেলে বাইল্লা প্রতিনিয়ত গাভীর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। এমনকি দিনের বেলাতেও বাছুর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এই এলাকাটি একটি কৃষি প্রধান এলাকা। এলাকার বেশিরভাগ অংশের মানুষ চাষবাসের মাধ্যমে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু বাইল্লার ছেড়ে দেওয়া গাভী বহু কৃষকের সবজি খেয়ে নষ্ট করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ। কৃষকরা প্রতিনিয়ত তার বাড়িতে এসে অভিযোগ করলেও তাতে কোন কাজ হচ্ছে না বলে জানায় স্থানীয়রা। মঙ্গলবার রাতেও তার তিনটি গাভী ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে ঘুমিয়ে থাকে সে। কিন্তু বামুটিয়া বিনোদিনী স্কুল মাঠে রাতের আঁধারে গাভীগুলো আটক করে স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হয় বামুটিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে। ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। রাতেই গাভি গুলোকে পুলিশ ফাঁড়িতে পৌঁছে দেয় গ্রামবাসী। খবর দেওয়া হয় গাভীর মালিক বাইল্লাকে। সে আউট পোস্টে এসে এই গাভীগুলো তার বলে দাবি করে। তবে এলাকার কৃষকদের দাবি গাভী ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি বন্ধ করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন এই বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।
What's Your Reaction?